রবিবার, ১২ Jul ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
বাবা-মা, ছেলেসহ চারজনকে হত্যার পর নিজেই খবর দিলেন পুলিশে ছেলে, বাবা-মাসহ একে একে চারজনকে হত্যা করেন তিনি। এরপর শান্তভাবে পুলিশে ফোন করে এ ঘটনার খবর দেন। তবে এরপর নিজেও আত্মহত্যা করেন তিনি।
এ ঘটনা ঘটেছে শনিবার। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। কিন্তু ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীকেও গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেখতে পায় পুলিশ। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের। সেখান থেকে ৫০ মাইল দক্ষিণে ডালাসের কোসিকানায় শুরু হয় এই গুলির ঘটনা। সেখানে ৪১ বছর বয়সী হামলাকারী কেভিন মিলাজ্জোর সাবেক গার্লফ্রেন্ড বাস করেন।
রাত ১২টার একটু পর পুলিশে ফোন দিয়ে পরিবারের সদস্যদের হত্যার কথা জানান মিলাজ্জো। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মিলাজ্জোর সৎবাবা উইলিয়াম মিমস (৬৮) ও মা কোনি মিমসকে (৬১) মৃত অবস্থায় দেখতে পান। গুলির আঘাতে তাদের মৃত্যু হয়।
পরে নাভাররো কাউন্টি শেরিফের বিভাগ আরেকটি গুলির ঘটনার খবর পেয়ে টিম পায় পুলিশ। কোরসিকানার প্রায় ২০ মাইল পশ্চিমে ফ্রস্টে মিলাজ্জোর ২১ বছর বয়সী ছেলে জশুয়ার মৃতদেহ পায় তারা। সেখানে চার বছর বয়সী হান্টার ফ্রিম্যানের মরদেহও পাওয়া যায়।
এসময় একাধিক গুলিবিদ্ধ এক নারীকে ডালাসের একটি ট্রমা সেন্টারে নেয়া হয়। ওই নারী নিহত হান্টারের মা প্যাটি ফ্রিম্যান বলে জানান একজন স্বজন। তবে তার অবস্থা ‘স্থিতিশীল’ বলে জানা গেছে।
এই গুলির ঘটনার পর পুলিশ জিপিএস’র মাধ্যমে মিলাজ্জোর গাড়ি খুঁজে বের করে। কিন্তু গাড়ির সামনে গিয়ে মিলাজ্জোকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার।